মানিকগঞ্জে ৮২ টি পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি সভা, পৌর নির্বাচনে আপেলকে নৌকার মাঝি হিসেবে দেখাতে চায়

????????????????????????????????????

কড়চা রিপোর্ট : প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা হওয়া সত্ত্বেও কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি মানিকগঞ্জ পৌরসভায়। নানা সমস্যা আর অনিয়মের মধ্যে আবদ্ধ পৌরসভাটি। তাই পৌরবাসীর সার্বিক কল্যাণে একজন দক্ষ ও যোগ্য মেয়রের প্রয়োজন বলে মনে করেন জেলার ৮২ টি পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে শহরের সাবিস মিলনায়তনে জেলা নাগরিক ও পেশাজীবী ঐক্য পরিষদ এক প্রতিনিধি সভার আয়োজন করে। সভায় পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি, মহিলা কমিটি, যুব কমিটিসহ ৯ টি ওয়ার্ড কমিটি, ৫১ টি গ্রাম কমিটি এবং জেলার ৮২ টি পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেয়।

জেলা নাগরিক ও পেশাজীবী ঐক্য পরিষদের মহাসচিব অলিয়ার রহমানের সঞ্চালনায় এসময় পৌর আওয়ামী লীগ ও জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি মোনায়েম খান, জেলা পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি বশির রেজা, জেলা ডেভলপার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি মাসুদুল কামরুল হক, বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আব্দুস সালাম, শহর বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামরুদ্দিন রেজা, জেলা শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি ইস্কান্দার মির্জা, আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন, বেউথা বালু ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি টুটুল বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক হাশেম আলী, যুবলীগ নেতা মাহবুবুল আলম সুমন, ইলেকট্রনিকস সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, অটোবাইক সমিতির সভাপতি খন্দকার সুজন, জেলা নির্মাণ শ্রমিক সমিতির সহ-সভাপতি তাজুল ইসলাম, রিকশা ভ্যান সমিতির সহ-সভাপতি আব্দুস সামাদসহ বিভিন্ন নারী পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সহস্রাধিক পৌর নাগরিক উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন পৌর নির্বাচনে তারা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেলকে নৌকার মাঝি হিসেবে দেখতে চান। তাদের দাবি আধুনিক পৌরসভা গড়ে তুলতে আপেলের কোন বিকল্প নেই।

সভাপতির বক্তব্যে সুলতানুল আজম খান আপেল বলেন, ১ ম শ্রেণীর পৌরসভা হওয়া সত্ত্বেও কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি মানিকগঞ্জ পৌরসভায়। আমি দলের মনোনয়ন পেলে মানিকগঞ্জ পৌরসভাকে একটি আধুনিক মডেল পৌরসভায় রূপান্তরিত করবো। পৌরবাসীর সুখে দুখে তাদের পাশে থেকে সেবা করে যাব। পৌর এলাকার কোন রাস্তা চলাচলের অযোগ্য থাকবেনা। প্রতিটি রাস্তা আলোয় ঝলমল করবে। লাশ বহন এবং অসুস্থ মানুষদের হাসপাতালে নেওয়ার জন্য চালু ২৪ ঘন্টা অ্যাম্বুলেন্স চালু রাখা হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশে আমাদের পৌরসভাও ডিজিটাল হবে। পৌরবাসীর যে কোন প্রয়োজন ও সমস্যায় ২৪ ঘন্টা কন্ট্রোল রুমের ফোন চালু থাকবে। গরিব অসহায় পৌরবাসীদের হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফ করা হবে। পৌর এলাকার মার্কেট, দোকান পাট ও রাস্তাঘাটে মা-বোনেরা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আপনাদের সকলকে সাথে নিয়ে আমরাও শেখ হাসিনার উন্নয়নের মিছিলে যোগ দিতে চাই।

Facebook Comments
ভাগ