ঘিওরে প্রাণি সম্পদ বিভাগ গ্রাহকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে দুধ, ডিম ও মাংস

আব্দুর রাজ্জাক : লকডাউন পরিস্থিতিতে একদিকে যেমন সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষজন তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রবাদি ক্রয় করতে পারছেন না, অন্যদিকে উপজেলার খামারিরাও পরেছেন সংকটে। পরিবহন ব্যবস্থা ও হাট বাজার কার্যত অচলাবস্থায়। করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে খুব সহজে তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করতে পারছেন না। এমনই এক পরিস্থিতিতে ঘিওর প্রাণি সম্পদ বিভাগের এক অনন্য উদ্যোগে সাড়া পড়েছে সর্ব মহলে। তারা সরাসরি খামারীদের কাছ থেকে দুধ, ডিম ও মুরগী ক্রয় করে ঐ দামেই বিক্রি করছে সাধারণ মানুষজনের মাঝে। এমনকি ভ্যানে করে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় পৌছে দিচ্ছেন তারা।

সরেজমিন বুধবার (২৮ এপ্রিল) ঘিওর হাটের কয়েকটি স্থানে এই ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের তদারকি করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ হাবিবুল ইসলাম। এসময় আরোও উপস্থিত ছিলেন, ডাঃ মোঃ ফারুক হোসাইন, কর্মী মোঃ মাজহার হোসেন, মোঃ তামিম, মোঃ রুবেল মিয়া, মোঃ শরিফ হোসেন, শুকুমার প্রমুখ।

উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ হাবিবুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে পর্যায়ক্রমে ভ্রাম্যমাণ পিকআপ ভ্যানে দুধ, ডিম ও মুরগির মাংস বিক্রয় করা হচ্ছে। ক্রেতারা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কম দামে তাদের কাংক্ষিত পণ্য সংগ্রহ করছেন। পাশাপাশি উপজেলার খামারিরা করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে খুব সহজেই তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করতে সক্ষম হচ্ছেন। জেলা প্রশাসন, প্রাণি সম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের সহযোগিতায় জেলা প্রাণি সম্পদ দপ্তর এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার্স এ্যাসোসিয়েশন (বিডিএফএ) ও বাংলাদেশ পোল্ট্রি ফার্মার্স এ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএফএ) বাস্তবায়নে এবং প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি), প্রাণিসম্পদ অধিদফতর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় সারাদেশের ন্যায় ঘিওর উপজেলা সদর ও ইউনিয়ন গুলোতে দিনব্যাপী ন্যায্যমূল্যের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এ ভ্রাম্যমাণ দোকানে ফার্মের মুরগির ডিম, ফার্মের গরুর দুধ, বয়লার মুরগি ও সোনালী মুরগির মাংস ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করা হবে।

কড়চা/ এ আর

Facebook Comments
ভাগ